রবিবার  ২৫শে আগস্ট, ২০১৯ ইং  |  ১০ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ  |  ২২শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

স্বেচ্ছামৃত্যুর আগে যা লিখে গেল ‘ধর্ষিতা’ কিশোরী

নেদারল্যান্ডসের আরহেম শহরের বাসিন্দা নোয়া পথোভেন। ১৭ বছরের এই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি তাকে এমন যন্ত্রণা দেয় যে, মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সে। দিনের পর দিন মনের সেই ব্যথা নিয়ে বেঁচে থাকতে না পেরে অবশেষে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করে প্রশাসনের কাছে। পরে তার সেই আবেদন গ্রহণ করা হলে সে স্বেচ্ছামৃত্যুর পথ বেঁছে নেয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ’র প্রতিবেদনে বলা হয়, ডাচ প্রশাসন নোয়ার স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন গ্রহণ করায় গত রোববার নিজ বাড়িতেই আত্মহত্যা করে সে। তবে শেষ বিদায় নেওয়ার আগে ইনস্টাগ্রামে নিজের পরিণতির কথা লিখে যায় সে।

নোয়ার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে-এমন খবরটি শোনার পর নিজের ব্লগে ধর্ষণের ঘটনা ও বেঁচে থাকার আগ পর্যন্ত লড়াইয়ে নিজের পরিবার ও বন্ধুদের ধন্যবাদ জানায় নোয়া। পোস্টে নোয়া লিখেছে, ‘বছরের পর বছর এই লড়াই এবার শেষ হতে চলেছে।’ শুধু তাই নয়, যে কয়েক দিন সে বেঁচেছিল, নিজের আত্মজীবনীও লেখে সে। বইটির নাম দেওয়া হয় ‘উইনিং অ্যান্ড লার্নিং’। আত্মজীবনী লিখে পুরস্কৃত হয়েছিল সে। রোববার তার মৃত্যু কার্যকরের আগে ইনস্টাগ্রামে লেখে, ‘ইটস ফিনিশড’।

স্বেচ্ছামৃত্যু বা ইউথেনেশিয়া। গোটা বিশ্বে এই প্রক্রিয়ায় আত্মহত্যার অনুমতি দেওয়া হয়। সাধারণত কোনো রোগ বা অন্য কারণে যন্ত্রণা যারা সহ্য করতে পারেন না, তাদের স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দেওয়া হয়।
নেদারল্যান্ডসসহ কয়েকটি দেশে স্বেচ্ছামৃত্যু আইনত স্বীকৃতি। ২০০১ সালে আইন সংশোধন করে স্বেচ্ছামৃত্যুকে আইনি স্বীকৃতি দেয় নেদারল্যান্ডস। তারপর থেকে অনেককেই স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিয়েছে ডাচ প্রশাসন।

নেদারল্যান্ডসসহ কয়েকটি দেশে স্বেচ্ছামৃত্যু আইনত স্বীকৃতি। ২০০১ সালে আইন সংশোধন করে স্বেচ্ছামৃত্যুকে আইনি স্বীকৃতি দেয় নেদারল্যান্ডস। তারপর থেকে অনেককেই স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিয়েছে ডাচ প্রশাসন।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com