শিরোনাম
সোমবার  ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং  |  ১২ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ  |  ১৯শে সফর, ১৪৪৩ হিজরী

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কেটে উন্নয়নকাজ : প্রতিবাদ চল‌ছে

রাজধানীর ফুসফুস খ্যাত ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছ কেটে চলছে উন্নয়নকাজ। উদ্যানে ওয়াকওয়ে ও সাতটি ফুড কর্নার বানানোর জন্য ইতিমধ্যে কাটা হয়েছে ৪০-৫০টি গাছ। আরো প্রায় অর্ধশত গাছ পর্যায়ক্রমে কাটা হবে বলে জানা গেছে। স্বাধীনতাস্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ের কাজের অংশ হিসেবে এই উন্নয়নকাজ চলছে। প্রায় অর্ধশত বছরের পুরোনো এই গাছ কাটা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক, চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

উদ্যানের গাছ কাটা বন্ধে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রেস্টুরেন্ট বা দোকান নির্মাণের নামে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী এই উদ্যানের গাছ কাটার কোনো সুযোগ নেই। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ কার্যক্রম বন্ধ করা না হলে হাইকোর্টে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান স্থাপত্যবিদ বরাবর ই-মেইলযোগে এ নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংরক্ষণ নিয়ে হাইকোর্টের রায় তুলে ধরে নোটিশে বলা হয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকা নিছক কোনো এলাকা নয়, এই এলাকা ঢাকা শহর পত্তনের সময় থেকে একটি বিশেষ এলাকা হিসেবে পরিগণিত হয়েছে এবং এর একটি ঐতিহাসিক ও পরিবেশগত মূল্য রয়েছে। শুধু তাই নয়, আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতা আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু এই এলাকা। এর পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূর্ণ এলাকাটি একটি বিশেষ এলাকা হিসেবে সংরক্ষণের দাবি রাখে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে স্থাপত্য অধিদপ্তর। স্থাপত্য অধিদপ্তরের নকশা অনুসারে এই নির্মাণকাজ চালাচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। উদ্যানের দায়িত্বে থাকা কার্পেন্টার নজরুল ইসলাম খোকন বলেন, ‘আমরা জানি না এখানে কী গাছ কাটা হচ্ছে। এটা অফিসাররা ভালো বলতে পারবেন।’ অন্যদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শামিম আখতার জানান, নিয়ম মেনেই গাছ কাটছেন তারা।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com