বৃহস্পতিবার  ২৮শে মে, ২০২০ ইং  |  ১৪ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  |  ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী

সচেতনতাই রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। ঘরে থাকুন

নাসিম অনোয়ার।

জন সচেতনতাই যে কোনো সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। আমি/ আপনি,আমরা সবাই সচেতন হই,করোনা সহ যে কোনো ভাইরাস প্রতিরোধ করি।করোনা ভাইরাসের আতংক ভয়াবহতা নিয়ে আমরা অনেক শিক্ষা নিতে পারি।
আমরা যারা চোর,আমরা আর কখনোই টাকা পাচার করে বিদেশে সেকেন্ড হোম তৈরি করবো না।পৃথিবীর কোনো উন্নত দেশ আমাদের বাঁচাতে পারবে না।এটা ইতোমধ্যেই প্রমান হয়ে গেছে।করোনা ভাইরাস সব লান্ড ভন্ড করে দিয়েছে গোটা পৃথিবীর মানুষকে। আমরা প্রতিজ্ঞা করি,দেশের টাকা দেশেই রাখবো।আর পাচার করবো না।জনগণের টাকা দেশে দেশে রেখেে,বৈধ ব্যবসা বানিজ্য করে দেশটাকে উন্নত করি।
( যে সকল শীর্ষ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,দেশের নীতিনির্ধারণী মহল চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত নন।তাঁদের জন্য আমার এই লেখা প্রযোজ্য নয়)
গরীবের ঘামে ভেজা টাকা যারা চুরি করে বিদেশে পাচার করে।যারা একটি বালিশ,একটি কলাগাছ, একটি নারকেল গাছ,একটি টিনের ঘরের দাম কাগজে কয়েক লাক টাকা দেখিয়ে, বিদেশে টাকা পাচার করে ভোগ বিলাসে জীবন কাটাতে চায়, তাদের উদ্দেশ্যই আমার এ লেখা।
আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য সহ পৃথিবীর উন্নত অসংখ্য দেশের মানুষ আজ যে ভাবে করোনা আতংকিত হলো, এরচেয়ে বলতে গেলে আমরা কম আতংকিত, হাস্যকর হলেও বলতে হচ্ছে, আমরা সাহসি।দীর্ঘ দিন ছুটি পেয়ে বাড়ি ছুটছি।😆
বাঙালিদের হারাবার কিছু নেই। সংক্রামিত হলে নিশ্চিত মরণ।মহামারী আকারে এ সংক্রমণ ধারণ করলে,এমনিতেই মরতে হবে বিনে চিকিৎসায়।এটা শুধু চোর ব্যতিত সবাই জানেন।আমাদের সামর্থ নেই। আমরা তো সবাই গরীব। আর এ জন্যই গরীবরা সাহসী হতে বাধ্য। একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে গরীবের ভরসা।
দেশে এমন কোনো সেক্টর নেই, যেখানে চোর নেই! এই চোরগুলো দেখতে পান, শুধুমাত্র শেখ হাসিনা। আর কেউ চোর দেখেন না।সবাই দেখেন জনসেবক,সূফী সাধক।
যা-ই হোক এবার আসি আন্য প্রসঙ্গে।সচেতনতা র কোনো বিকল্প নেই। আমাদের সীমিত সাধ্য।পরম করুণাময় আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আছেন আমাদের সাথে।বর্তমান সরকার যথাসাধ্য সাহসী ভূমিকা রেখেছে। সাথে আছেন আমাদের সাহসী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। মহান আল্লাহ সহায় হবেন।করোনার সংক্রমণ থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করবে ইনশাল্লাহ। সম্প্রতি আবারো চিন সংক্রামিত হলো হান্তা ভাইরাসে। যুগে যুগে পৃথিবীতে করোনার মতো অসংখ্য ভাইরাস মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। মানুষ আবিষ্কারও। করেছেন তার প্রতিষোধক।প্রতিরোধও করেছেন। আগামিতে আসছে বর্ষা মওসুম, মশা বাহিত রোগ।এডিস মশার বিস্তার যাতে না ঘটতে পারে, সেটা এখন থেকেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। যাতে ডেঙ্গু, চিকুনবুনিয়া রোগে একজন নাগরিকও যেনো সংক্রামিত না হয়।আমার জানামতে ২০১৬ সালের আগে এই রোগের কোনো প্রতিষোধক ছিলো না। ১৯৫২ সালে চিকুনবুনিয়া নামটি এসেছিলো,তানজানিয়ার মাকুন্দি জনগোষ্ঠীর ব্যবহৃত কিমাকুন্দি ভাষা থেকে।যা-ই বলিনা কেনো,নতুন নতুন ভাইরাসে মানুষ সংক্রামিত হবেন এটাই সত্য, তবে প্রতিরোধ- প্রতিযোধকও আবিষ্কার হবে।
সবার উপরে আল্লাহ সত্য।
এটাই আমাদের বিশ্বাস। করোনা কাপিয়েছে পুরো পৃথিবী। এখন আর কেহই মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ভাঙ্গে না।তা-ই আবারও বলছি, আমাদের আর সেকেন্ড হোমের প্রয়োজন নেই।আমাদের দেশটাকে গড়ে তুলি দল মত নির্বিশেষে। আমাদের একটাই হোম হোক, সম্প্রিতির সোনার বাংলাদেশ ❤

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com