মঙ্গলবার  ২৭শে অক্টোবর, ২০২০ ইং  |  ১১ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  |  ৯ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী

ফরিদপুর জেলা পরিষদের সদস্য পদে প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ওহাব ফকির জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী

স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুর জেলা পরিষদের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চলতি মাসের ২০ তারিখে। ফরিদপুর সদর থানা আওয়ামীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আব্দুল ওহাব ফকির জেলা পরিষদ ৩ নং সদস্য পদে তালা মার্কা নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ফরিদপুর সদরের কৈজুরী, কানাইপুর, কৃষ্ণনগর ও চাঁদপুর এই চার ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জেলা পরিষদের ৩ নং সদস্য পদটির জন্য তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় আছেন আরো চার জন প্রতিদ্বন্দ্বী।

সারা জীবন আওয়ামী লীগ করে যাওয়া এই ত্যাগী আওয়ামী লীগনেতা তাঁর রাজনৈতিক জীবনে শুধু দল ও এলাকার মানুষকে দিয়েই গেছেন। সমাজ সেবক হিসেবে একটু সম্মান ছাড়া কিছুই অর্জন করেননি তিনি। মোঃ আব্দুল ওহাব ফকির দীর্ঘ ১৩ বছর ছিলেন কৈজুরী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে জেল খেটেছেন, নিপিড়ন অত্যাচারের স্বীকার হয়েছেন, মামলা খেয়েছেন কিন্তু একদিনের জন্যও তিনি দল ত্যাগ করেননি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক এই প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে অনেক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আস্থার একজন মানুষ। মাঠ থেকে উঠে আশা এই নেতার সারা জীবন কেটেছে রাজনীতি ও সমাজ সেবায়। তিনি কখনো নীতির প্রশ্নে কারো সাথে আপোষ করেননি।

ফরিদপুর আওয়ামী লীগে যখন শুদ্ধ অভিযান চলমান ঠিক তখনই এলো ফরিদপুর জেলা পরিষদের এই উপ-নির্বাচন। প্রবীণ ও ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ আব্দুল ওহাব ফকিরের রাজনীতি স্বীকৃতি বা দীর্ঘদিন রাজনীতির ও ত্যাগের প্রাপ্তির স্বাদ নিতেই প্রার্থী হয়েছেন বলে জানান তিনি। বাংলা বাজার নিউজের এক প্রশ্নের জবাবে ওহাব ফকির বলেন, “ত্যাগের কথা বলে আর কি লাভ বলেন, সেটা তো সবাই জানেন। শেষ বয়সে এসে এতোটুকু চাওয়া পুরণ হলেই আমার সারাজীবনের রাজনীতির প্রাপ্তিটুকু পাবো।”

এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে ওহাব ফকির আরো বলেন, “আমার থেকে বয়স্ক আর কেউ নেই এই প্রতিদ্বন্দ্বীতায়, বাকী যারা আছেন তারা সবাই বয়সে নবীন। আমি একজন প্রবীণ রাজনৈতিক কর্মী, জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটা নির্বাচনে অবশ্যই ভোটাররা সেদিকে দৃষ্টি দিবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। দল মত নির্বিশেষে তার কথা সবার মনে থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন এই নেতা। আর তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “সবকিছু ঠিক থাকলে আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী, ইনশাআল্লাহ।

স্থানীয় ভোটাদের সাথে কথা বলে বাংলা বাজার নিউজ এতোটুকু নিশ্চিত হয়েছে যে, মোঃ আব্দুল ওহাব ফকিরকে দলবল নির্বিশেষে সবাই মুরুব্বি হিসেবে খুব সমীহ করেন আর বয়সে প্রবীণ হওয়ার তাঁর প্রতি আস্থা রাখতে চান অনেকেই ।

তালা মার্কা নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ফরিদপুর জেলা পরিষদের সদস্য পদপ্রার্থী মোঃ আব্দুল ওহাব ফকির আরো বলেন, আমি নির্বাচিত হলে একজন আদর্শ নেতা তাঁর এলাকার ভোটারদের যেমন সমান চোখে দেখেন, তাদের সেবা করেন, তেমনি আমিও আমার দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করবো যেন, ফরিদপুরবাসী তথা আমার এই চার ইউনিয়নের জনগণ আমাকে আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করেন। আমার আর কোন চাওয়া নেই। বাকী জীবন আমি আমার জনগণ ও সমাজ সেবায় কাটিয়ে দিতে চাই।”

তিনি তাঁর ভোটাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমাকে ভোট দিয়ে আপনারা নির্বাচিত করলে, আমি আপনাদের চাওয়া পাওয়ার সমন্বয় ঘটিয়ে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবো, এবং কথা দিচ্ছি কেউ হতাশ হবেন না। আপনারা বলতে বাধ্য হবেন আপনারা কোন ভুল সিদ্ধান্ত নেননি।”

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান হোসেন মাস্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ায় জেলা পরিষদের এই উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও দুইজন সদস্যের শুন্য পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ অক্টোবর। ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা এডভোকেট সামছুল হক ভোলা মাস্টার।

ফরিদপুরের সদরের কৈজুরী, কানাইপুর, কৃষ্ণনগর ও চাঁদপুর এই চার ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জেলা পরিষদের ৩ নং সদস্য পদটির জন্য তালা মার্কায় নির্বাচন করছেন এই তাাগী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ আবদুল ওহাব ফকির।

উক্ত চার ইউনিয়নের জনগণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে দোয়া ও তালা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেছেন ফরিদপুর সদর থানা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুল ওহাব ফকির।

একটি প্রতি উত্তর ট্যাগ

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com