বৃহস্পতিবার  ২৭শে জানুয়ারি, ২০২২ ইং  |  ১৪ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ  |  ২২শে জমাদিউস-সানি, ১৪৪৩ হিজরী

পৌষের বৃষ্টিতে বাড়বে শীত

ডিসেম্বরের শুরু থেকে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে বাড়ছে শীতের প্রকোপ। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা আর উত্তরের ঠাণ্ডা বাতাসে জেঁকে বসে শীত। তবে আজ বুধবার দুপুরে হঠাৎ পৌষের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর ঠাণ্ডা বাতাস শীতের তীব্রতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে আরো বেশি।

এবার শীতে বেশির ভাগ সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ে। তাপমাত্রা নেমে আসে এক অঙ্কে। এক সপ্তাহ জুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে এই জেলায়।

বুধবার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে যায়। বুধবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও দুপুরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর উত্তরে ঠাণ্ডা বাতাসে এ জেলার বাসিন্দাদের জনজীবনে অস্বস্তি নেমে এসেছে। দুর্ভোগে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

প্রয়োজনীয় সংখ্যক শীতবস্ত্র না থাকায় অনেকে বাড়ির উঠানে কিংবা রাস্তার পাশে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। এবার জেলায় সরকারি-বেসরকারিভাবে ৩৩ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু সেটি চাহিদার তুলনায় অনেক কম বলে দাবি স্থানীয়দের।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সরকারি-বেসরকারিভাবে জেলায় ৩৩ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। এর বাইরে আরো চাহিদা পাঠানো হয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী শীতবস্ত্র পেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রত্যেক এলাকার দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র পৌঁছে দেওয়া হবে।’

জেলা শহরের ভ্যানচালক সফিয়ার রহমান বলেন, ‘গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর ঠাণ্ডা বাতাসে হাত-পা অবশ হয়ে আসছে। যে সোয়েটার পরেছি তাতে ঠাণ্ডা মানছে না। এই বৃষ্টি আমাদের কষ্টটা বাড়িয়ে দিল।’

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ্ বলেন, ‘সাগরে লঘুচাপের কারণে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে এখন তাপমাত্রা পরিবর্তন হবে না। জানুয়ারির শুরুতে জেলায় শীতের তীব্রতা আরো বাড়বে।’

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com