মঙ্গলবার  ১৫ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং  |  ৩০শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ  |  ১৪ই সফর, ১৪৪১ হিজরী

নাগরিক নাট্যঙ্গনের নাট্যোত্সব

মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন, নাচ, গান, আলোচনা ও সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো নাগরিক নাট্যাঙ্গনের ২০ বছর পূর্তি নাট্যোত্সব ২০১৫। বৃহস্পতিবার উত্সবের দ্বিতীয় দিনে জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে মঞ্চায়িত হয়েছে সময় প্রযোজিত নাটক ‘শেষ সংলাপ’।
এবারের উত্সবের স্লোগান ‘চিত্ত আমার ভয়শূন্য উচ্চ আমার শির’। এই নাট্যোত্সব উত্সর্গ করা হয়েছে শম্ভু মিত্র ও উইলিয়াম শেক্সিপয়ারকে।
বুধবার শিল্পকলা একাডেমীর মূল নাট্যশালায় ৮দিনব্যাপী এই নাট্যোত্সবের উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। অনুষ্ঠানে নাটকে অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয় বিশিষ্ট অভিনেত্রী ফেরদৌসী মজুমদারকে।
সন্ধ্যায় ৬টায় শুরু হয় এই নাট্যোত্সবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। নাগরিক নাট্যাঙ্গনের শিল্পীরা প্রথমেই পরিবেশন করেন ‘আমার মুক্তির আলোয় আলোয়’ গানটি। প্রধান অতিথি হাসানুল হক ইনু বলেন, সংস্কৃতিকর্মীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বক্ষে ধারণ করে মানবতার জয়গান গেয়েছেন।
গতকাল উপস্থিত ছিলেন নাগরিক নাট্যাঙ্গনের সভাপতি ড. ইনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক লাকী ইনাম, বিশিষ্ট নাট্যজন আতাউর রহমান, সৈয়দ হাসান ইমাম, কেরামত মাওলা, ঝুনা চৌধুরী, লায়লা হাসান, ঝুনা চৌধুরী, মান্নান হীরা, ত্রপা মজুমদার, গোলাম কুদ্দুছ, লিয়াকত আলী লাকী প্রমুখ। আতিথিদের সাথে নিয়ে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়। এ সময় মঞ্চে শিল্পীরা গাইছিলেন ‘আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে’। এরপর ছিল উত্তরীয় পরিয়ে দেয়ার পালা। ‘মুক্তিরও মন্দির সোপান তলে’ গানটি পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় উত্সবের উদ্বোধনী পর্ব। এরপর নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে ফেরদৌসী মজুমদার তার জনপ্রিয় নাটক ‘কোকিলার’র অংশ বিশেষ পরিবেশন করেন। ফেরদৌসী মজুমদারকে আজীবন সম্মাননার ক্রেস্ট ও উত্তরীয় পরিয়ে দেন আতাউর রহমান। উত্সবের প্রথম সন্ধ্যায় গতকাল নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হয় ঢাকা থিয়েটারের দুই নাটক ‘গল্প নিয়ে গল্প’ ও ‘ইতি প্রত্রমিতা’।
দুটি নাটকই রচনা করেছেন সেলিম আল দীন। ‘গল্প নিয়ে গল্প’ নির্দেশনা দিয়েছেন এশা ইউসুফ এবং ‘ইতি প্রত্রমিতা’ নির্দেশনা দিয়েছেন f
WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com