শুক্রবার  ২২শে অক্টোবর, ২০২১ ইং  |  ৬ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ  |  ১৫ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী

জা‌তিসং‌ঘে বাংলায় ১৮তম ভাষ‌ণে প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট ছয়দফা প্রস্তাবনা পেশ করেন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগুলো দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কোভিড-১৯ পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারসহ করোনামুক্ত বিশ্ব গড়ে তুলতে মেধাস্বত্ত্ব ছাড়সহ সাশ্রয়ী মূল্যে টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টা ৩০) প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে সুনির্দিষ্ট ছয়দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

প্রথমত, কোভিডমুক্ত একটি বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে টিকার সর্বজনীন ও সাশ্রয়ী মূল্যে প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। গত বছর এ মহতী অধিবেশনে আমি কোভিড-১৯ টিকাকে ‘বৈশ্বিক সম্পদ’ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছিলাম। বিশ্বনেতাদের অনেকে তখন এ বিষয়ে সহমত পোষণ করেছিলেন। সে আবেদনে তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি। বরং আমরা ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকা বৈষম্য বাড়তে দেখেছি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য মতে, এ যাবত উৎপাদিত টিকার ৮৪ শতাংশ উচ্চ ও উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মানুষের কাছে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, নিম্ন আয়ের দেশগুলো ১ শতাংশেরও কম টিকা পেয়েছে। জরুরি-ভিত্তিতে এ টিকা বৈষম্য দূর করতে হবে। লক্ষ লক্ষ মানুষকে টিকা থেকে দূরে রেখে কখনই টেকসই পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। আমরা পুরোপুরি নিরাপদও থাকতে পারবো না।

সবার জন্য ন্যায়সঙ্গত ও সাশ্রয়ী মূল্যে টিকার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অবিলম্বে টিকা প্রযুক্তি হস্তান্তর টিকার সমতা নিশ্চিত করার একটি উপায় হতে পারে। প্রযুক্তি সহায়তা ও মেধাস্বত্ত্বে ছাড় পেলে বাংলাদেশও ব্যাপক পরিমাণে টিকা তৈরি করতে সক্ষম।’

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com