সোমবার  ৩রা আগস্ট, ২০২০ ইং  |  ১৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  |  ১২ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

খালেদা জিয়ার বিচার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলাটি বিচারের জন্য কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে। এখন থেকে বিচারক ওই অস্থায়ী আদালতে গিয়ে বিচারকাজ পরিচালনা করবেন।

আজ মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা প্রজ্ঞাপন নথিতে সামিল করা হয়। মামলাটি অতিরিক্ত ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আমিনুল হকের আদালতে বিচারাধীন। তিনি আগামী ২৯ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

গত ২০ মার্চ এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন একই আদালত। খালেদা জিয়া গত ১৮ জুন হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। জামিন সংক্রান্ত আদেশ নিম্ন আদালতে পৌঁছানোর পর গত ৪ আগস্ট মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়।

২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রিত্ব। জেনারেল জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ায় এ দেশের জনগণ যুদ্ধে নেমেছিল।’

ওই অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে চলছে দুর্নীতি ও লুটপাট। দলীয় লোকদের জঙ্গি বানিয়ে নিরীহ লোকজনকে হত্যা করছে, সংখ্যালঘুর বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করে লুটপাট ও হত্যা করছে। যেমন পুলিশ বাহিনী দিয়ে বিরোধীদলসহ ভালো ভালো লোককে গ্রেপ্তার, গুম এবং হত্যা করছে।’

এসব বক্তব্য দেওয়ায় ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে আদালতে খালেদার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে শাহবাগ থানাকে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। গত বছর ৩০ জুন শাহবাগ থানা প্রতিবেদন দাখিল করে বাদীর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে আদালতকে জানান।

উল্লেখ্য, দুটি র্দুনীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া এখন কারাগারে আছেন। কারা হেফাজতে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com