শুক্রবার  ৩রা ডিসেম্বর, ২০২১ ইং  |  ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ  |  ২৬শে রবিউস-সানি, ১৪৪৩ হিজরী

আরিয়ান মামলা থেকে সরানো হলো সমীর ওয়াংখেড়কে

জামিন পেলেও শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানের মাদক মামলা এখনও চলছে। প্রথম থেকে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) তরফ থেকে এই মামলার দায়িত্বে ছিলেন সমীর ওয়াংখেড়ে । কিন্তু এবার তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এই মামলা থেকে।

মুম্বাই মাদক কাণ্ডে তিনি প্রধান তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করছিলেন। কিন্তু এই মামলা চলাকালীন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে। এই সব দিক পর্যালোচনা করেই তাকে সরানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

যদিও সংবাদমাধ্যমের সামনে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ওয়াংখেড়ে নিজে। বরং তার দাবি, তিনি নিজেই চাইছিলেন এই মামলা যাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দায়িত্ব নেয়। তিনি জানান, তিনিই এখনও এনসিবি মুম্বাইয়ের জোনাল ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। তার অধীনে ছয়টি মামলা ছিল । কিন্তু যে মামলাগুলোতে সমস্যা তৈরি হয়েছিল সেগুলি নিযুক্ত হওয়া একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান। যে মামলাগুলি হস্তান্তর করা হল, সেগুলোর জন্য নতুন করে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে আরিয়ানের মামলা‌টিও।

সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। আরিয়ান গ্রেপ্তার হওয়ার পরে তার সঙ্গে সেলফি তুলে ভাইরাল হয়েছিলেন মাদককাণ্ডের সাক্ষী কেপি গোসাভি। কেপি গোসাভির গাড়ির চালক প্রভাকর সাইল দাবি করেছিলেন, গোসাভির সঙ্গে এনসিবির আর্থিক লেনদেন হয়েছে। অর্থের বিনিময়ে সাক্ষী সাজানোর অভিযোগ ওঠে এনসিবি অফিসারের বিরুদ্ধে। তার আগে ২৫ কোটি টাকা ঘুষ নিয়ে আরিয়ান মামলার সমাধান করার অভিযোগও ওঠে ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেন, তার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে তাকে বারবার লক্ষ্য করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে এই ঘটনা নিয়ে বিষয় আরো জটিল হচ্ছে। আর তাই সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাকে।

মাদক মামলায় জামিনের শর্ত অনুযায়ী শুক্রবার এনসিবি অর্থাৎ নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসে হাজিরা দিয়েঠেন শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খান । গত ২৮ অক্টোবরই মুম্বাই হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন আরিয়ান। এর আগে গত ২ অক্টোবর আরিয়ানকে গোয়াগামী প্রমোদতরী থেকে গ্রেফতার করা হয়।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com