বুধবার  ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং  |  ৩রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ  |  ১৮ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

আনিসুল হকের মৃত্যুতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করে গতকাল সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় উত্তর সিটির উপনির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে টিকিট পাচ্ছেন কারা, কে মনোনয়ন পেলে দলের জয়ের পাল্লা ভারী হবে—তা নিয়ে এরই মধ্যে দলগুলোর ভেতরে আলোচনা-বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেছে। প্রজ্ঞাপন জারির ৯০ দিনের মধ্যে ডিএনসিসি মেয়র পদে উপনির্বাচন দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সে হিসাবে ১ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি—এই সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজন করতে হবে। আওয়ামী লীগ চাইছে ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এবং প্রয়াত মেয়রের অসমাপ্ত কাজ এগিয়ে নিতে সমর্থ হবেন—এমন একজনকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিতে। এ ক্ষেত্রে আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক ও ছেলে নাভিদুল হক রয়েছেন বিশেষ বিবেচনায়। এর বাইরে দলের একাধিক সংসদ সদস্য ও নেতাও মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে দলের বিবেচনায় রয়েছেন। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা কালের কণ্ঠকে এমনটা জানিয়েছেন। ডিএনসিসির মেয়র পদে গত নির্বাচনে বিএনপি জোটের মনোনয়ন পেয়েছিলেন তাবিথ আউয়াল। আসন্ন উপনির্বাচনেও আপাতত তাঁর বিকল্প কাউকে ভাবছে না দলটি। তবে এবার মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে দুটি বিষয়কে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। প্রথমত, বিবেচনায় থাকবে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা ও দলীয় অনুগত্যের বিষয়টি। এরপর দেখা হবে প্রার্থীর বিষয়ে সবার ঐকমত্য। দলের একাধিক সিনিয়র নেতার সঙ্গে আলোপকালে এমন তথ্য মিলেছে। আনিসুল হক পরিবারের বাইরে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেতে পারেন বলে যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছেন তাঁরা হলেন : সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ ঢাকা উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তা আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিম এবং সাবেক সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরী। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি। ভালো প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে। একজন যোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। ’ ওই বোর্ডের আরেক সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, ‘যার জনপ্রিয়তা আছে এবং এলাকার সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার সামর্থ্য আছে, তাঁকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। পত্রপত্রিকায় বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় আছে। এদের মধ্য থেকেও কেউ মনোনয়ন পেতে পারেন। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। ’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর একজন সদস্য কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ডিএনসিসির বিগত মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা মনোনয়ন চেয়েছিলেন। আসছে উপনির্বাচনেও অনেকে প্রার্থী হতে চাইছেন। গতবার ডিএনসিসি নির্বাচনে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করা মুহাম্মদ ফারুক খানের কাছে ইতিমধ্যে অনেকে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিমণ্ডলীর প্রভাবশালী একাধিক সদস্যের কাছেও কেউ কেউ মনোনয়ন পাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। ’ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন গতকাল সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে কথা বললেন ডিএনসিসির মেয়র নিয়েও। তিনি বলেছেন, ‘আনিসুল হক জনপ্রিয়, জনদরদি, উদ্যমী মানুষ ছিলেন। তাঁর উদ্যোগেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আধুনিক রূপ নিয়েছে। ভোটাররা নতুন মেয়র নির্বাচনের সময় সতর্ক হলে ভালো মানুষ, যোগ্য মানুষ মেয়র হবেন। উনি (আনিসুল হক) যে কাজ শুরু করে গেছেন, তা থেকে বের হয়ে আসাটা কষ্টকর হবে। নতুন যে-ই আসুক, তাঁকে পূর্বসূরির কাজের সঙ্গে তাল মেলাতে হবে। সরকারের প্রত্যাশা হচ্ছে, তাঁর মতো একজন ভালো মেয়র আমরা পাব। ’ আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো জানায়, উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক কিংবা ছেলে নাভিদুল হককে দলের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। ডিএনসিসির কাউন্সিলরদের বেশির ভাগও আনিসুল হকের বিশেষ ভক্ত। তাঁরাও চাইছেন প্রয়াত মেয়রের পরিবারের কোনো একজন সদস্য মেয়র নির্বাচিত হোক। আনিসুল হকের পারিবারিক একটি সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা মনোনীত করলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাজি আছেন রুবানা হক ও নাভিদুল হক। সূত্রগুলো জানায়, আওয়ামী লীগ ঢাকা উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানও মেয়র পদে মনোনয়ন চান। রহমতুল্লাহ বিগত মেয়র নির্বাচনেও মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ চাইছেন পরিছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীকে দলের প্রার্থী করা হোক। তাঁদের মতে, সাবের হোসেন প্রার্থী হলে দলীয় ভোটের বাইরেও ভোটপ্রাপ্তি সহজ হবে। আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানায়, ডিএনসিসিতে নোয়াখালী অঞ্চলের

আনিসুল হকের মৃত্যুতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করে গতকাল সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় উত্তর সিটির উপনির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে টিকিট পাচ্ছেন কারা, কে মনোনয়ন পেলে দলের জয়ের পাল্লা ভারী হবে—তা নিয়ে এরই মধ্যে দলগুলোর ভেতরে আলোচনা-বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেছে।

প্রজ্ঞাপন জারির ৯০ দিনের মধ্যে ডিএনসিসি মেয়র পদে উপনির্বাচন দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সে হিসাবে ১ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি—এই সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজন করতে হবে।

আওয়ামী লীগ চাইছে ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এবং প্রয়াত মেয়রের অসমাপ্ত কাজ এগিয়ে নিতে সমর্থ হবেন—এমন একজনকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিতে। এ ক্ষেত্রে আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক ও ছেলে নাভিদুল হক রয়েছেন বিশেষ বিবেচনায়। এর বাইরে দলের একাধিক সংসদ সদস্য ও নেতাও মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে দলের বিবেচনায় রয়েছেন। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা কালের কণ্ঠকে এমনটা জানিয়েছেন।

ডিএনসিসির মেয়র পদে গত নির্বাচনে বিএনপি জোটের মনোনয়ন পেয়েছিলেন তাবিথ আউয়াল। আসন্ন উপনির্বাচনেও আপাতত তাঁর বিকল্প কাউকে ভাবছে না দলটি। তবে এবার মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে দুটি বিষয়কে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

প্রথমত, বিবেচনায় থাকবে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা ও দলীয় অনুগত্যের বিষয়টি। এরপর দেখা হবে প্রার্থীর বিষয়ে সবার ঐকমত্য। দলের একাধিক সিনিয়র নেতার সঙ্গে আলোপকালে এমন তথ্য মিলেছে।
আনিসুল হক পরিবারের বাইরে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেতে পারেন বলে যাঁদের নাম আলোচনায় রয়েছেন তাঁরা হলেন : সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ ঢাকা উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তা আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিম এবং সাবেক সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরী।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি। ভালো প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে। একজন যোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। ’

ওই বোর্ডের আরেক সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান বলেন, ‘যার জনপ্রিয়তা আছে এবং এলাকার সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করার সামর্থ্য আছে, তাঁকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। পত্রপত্রিকায় বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় আছে। এদের মধ্য থেকেও কেউ মনোনয়ন পেতে পারেন। আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। ’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর একজন সদস্য কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ডিএনসিসির বিগত মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা মনোনয়ন চেয়েছিলেন। আসছে উপনির্বাচনেও অনেকে প্রার্থী হতে চাইছেন। গতবার ডিএনসিসি নির্বাচনে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করা মুহাম্মদ ফারুক খানের কাছে ইতিমধ্যে অনেকে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিমণ্ডলীর প্রভাবশালী একাধিক সদস্যের কাছেও কেউ কেউ মনোনয়ন পাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। ’

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন গতকাল সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে কথা বললেন ডিএনসিসির মেয়র নিয়েও। তিনি বলেছেন, ‘আনিসুল হক জনপ্রিয়, জনদরদি, উদ্যমী মানুষ ছিলেন। তাঁর উদ্যোগেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আধুনিক রূপ নিয়েছে। ভোটাররা নতুন মেয়র নির্বাচনের সময় সতর্ক হলে ভালো মানুষ, যোগ্য মানুষ মেয়র হবেন। উনি (আনিসুল হক) যে কাজ শুরু করে গেছেন, তা থেকে বের হয়ে আসাটা কষ্টকর হবে। নতুন যে-ই আসুক, তাঁকে পূর্বসূরির কাজের সঙ্গে তাল মেলাতে হবে। সরকারের প্রত্যাশা হচ্ছে, তাঁর মতো একজন ভালো মেয়র আমরা পাব। ’

আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো জানায়, উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক কিংবা ছেলে নাভিদুল হককে দলের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। ডিএনসিসির কাউন্সিলরদের বেশির ভাগও আনিসুল হকের বিশেষ ভক্ত। তাঁরাও চাইছেন প্রয়াত মেয়রের পরিবারের কোনো একজন সদস্য মেয়র নির্বাচিত হোক।

আনিসুল হকের পারিবারিক একটি সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা মনোনীত করলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাজি আছেন রুবানা হক ও নাভিদুল হক।

সূত্রগুলো জানায়, আওয়ামী লীগ ঢাকা উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানও মেয়র পদে মনোনয়ন চান। রহমতুল্লাহ বিগত মেয়র নির্বাচনেও মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ চাইছেন পরিছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীকে দলের প্রার্থী করা হোক। তাঁদের মতে, সাবের হোসেন প্রার্থী হলে দলীয় ভোটের বাইরেও ভোটপ্রাপ্তি সহজ হবে।

আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানায়, ডিএনসিসিতে নোয়াখালী অঞ্চলের

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com