বুধবার  ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং  |  ৩রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ  |  ১৮ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

অপুকে শাকিবের ডিভোর্স লেটার

ঘটনাটি শেষ পর্যন্ত ঘটেই গেল। ঢাকাই ছবির শীর্ষ নায়ক শাকিব খান স্ত্রী জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিলেন। বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল সংসার ভেঙে যাচ্ছে শাকিব-অপুর। আর এক্ষেত্রে উদ্যোগী ভূমিকা রাখছেন শাকিব খান নিজেই। তিনিই ডিভোর্স লেটার পাঠাতে যাচ্ছেন অপুকে। শেষ পর্যন্ত তিনি তা করলেন।
অপু বিশ্বাসের নামে পাঠিয়ে দিয়েছেন ডিভোর্স লেটার। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি অপু বিশ্বাসের বাসায় পাঠানো হয় বলে মানবজমিনকে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী। ডিভোর্স লেটারে বেশ কিছু কারণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে সন্তানকে অবহেলা এবং শাকিবের নির্দেশ পালন না করার কথা।
এদিকে শাকিব খানের বন্ধু ও চলচ্চিত্র প্রযোজক ইকবাল মানবজমিনকে বলেন, যা শুনেছেন সত্যি। শাকিব এখন ‘নোলক’ ছবির শুটিংয়ে ভারতের হায়দরাবাদে অবস্থান করছে। তাকে আমি ফোন দিয়েছিলাম। বিষয়টি সত্য বলে জানিয়েছে সে। বলেছে, অপু বিশ্বাসকে সে আইনি প্রক্রিয়ায় ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে। এদিকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (গতকাল রাত ৮টা) অপু বিশ্বাস কোনো ডিভোর্স লেটার হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এসব কেন করছেন শাকিব খান, বুঝছি না। এতে কি শুধু আমার একার সম্মান নষ্ট হচ্ছে? তারও সম্মান কি নষ্ট হচ্ছে না? শাকিব আমাকে ডিভোর্স দিলে তার বাবা-মাকে নিয়ে এসে সামনে কথা বললেই তো হয়ে যায়। দূরে গিয়ে কেন এ কাজ করবে। আমার মনে হয় এটা গুজব। কেউ একজন চাইছে আমাদের সংসার যেন না থাকে। এর আগেও একবার শাকিব ব্যাংককে থাকার সময় সংসার ভাঙার এমন গুজব উঠেছিল। শাকিব আমাকে এ ধরনের কোনো খবর জানায়নি। তার পরিবারের পক্ষ থেকেও এমন কিছু বলা হয়নি। আর কোনো উকিল নোটিশও পাইনি আমি। তাই এ নিয়ে আমি আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না। যদি ডিভোর্স লেটার হাতে পান তখন কি সিদ্ধান্ত নিবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, আগে তো হাতে পাই। তারপর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবো। আমি এখন শুধু আমার সন্তানের কথা ভাবছি। এদিকে ভারতের হায়দরাবাদে ফোন করে শাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে অপু বিশ্বাস ও শাকিব খান গোপনে বিয়ে করেন। গত বছরের ২৭শে সেপ্টেম্বর তাদের ঘরে জন্ম নেয় এক পুত্র সন্তান। দুটি ঘটনাই গোপন ছিল। বিয়ের পর প্রথম কয়েকটি বছর বেশ ভালোই ছিলেন তারা। এরপর নানা ইস্যু নিয়ে তাদের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে। চলতি বছরের ১০ই এপ্রিল অপু বিশ্বাস বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরে এসে তাদের গোপন বিয়ে ও গোপনে সন্তান জন্মের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। শুধু ছেলে আব্রামের কারণে মাঝেমধ্যে দেখা হলেও ১০ই এপ্রিলের পর থেকে আর কখনো কথা হয়নি দুজনের।

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com